মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য
ব্রেকিং নিউজ

প্রকাশ : ২০ জুলাই ২০২৬, ১২:৩৪

খণ্ডে খণ্ডে অখণ্ড জীবন

পীযূষ কান্তি বড়ুয়া
খণ্ডে খণ্ডে অখণ্ড জীবন

(পঞ্চান্নতম পর্ব)

আমার দেখা বিশ্বকাপ ফুটবল-২

ঊনিশশো ছিয়াশির তারকা ম্যারাদোনার কথা বলার আগে কিঞ্চিৎ ফুটবলের কালো মানিকের কথা বলতে হয়। যদিও পঞ্চম শ্রেণির বাংলা বইতে আমাদের পাঠ্য ছিলো ‘কালো মানিক’ শিরোনামে পেলের জীবনী, তবুও তাতে খেলোয়াড় পেলেকে জানা আমাদের পক্ষে কঠিন ছিলো। পেলের খেলোয়াড়ি জীবনের কয়েকটা নান্দনিক পোস্টার ও ছবি আমি দেখতে পাই আমাদের সেন্ট প্ল্যাসিডস্ স্কুলের স্পোর্টস টিচার লেজলি ডি’কস্টা স্যারের অফিসকক্ষে। আমরা যখন আন্তঃশ্রেণি ফুটবল বা বাস্কেটবল খেলার মিটিংয়ে স্যারের রুমে বসতাম তখন দেখতাম এসব পোস্টার ও দেওয়ালে বাঁধা ছবিগুলো। তাতে পেলের বাইসাইকেল কিক, সাইডভলি, ব্যাকভলি, হেড ইত্যাদির নান্দনিক ভঙ্গিমার অ্যাকশন বুঝা যেতো। এগুলো দেখলে যে কারুরই বুঝতে অসুবিধা হতো না, পেলে শুধু গ্রেট খেলোয়াড়ই ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন একজন শিল্পী খেলোয়াড়। তার পারিবারিক ডাক নাম ‘ডিকো’ হারিয়ে গেছে ‘পেলে’ নামের খ্যাতির আড়ালে। ব্রাজিলের ভাস্কো ডা-গামা ক্লাবের গোলরক্ষক ‘বিলে’ ছিলেন পেলের বাবার সতীর্থ খেলোয়াড়। ডিকো ছিলেন ‘বিলে’র ভক্ত। যখন ‘বিলে’ কোনো ভালো সেভ করতেন তখন ডিকো চেঁচিয়ে উঠতেন ‘বিলে’র নাম ধরে। কিন্তু ডিকোর ছিলো উচ্চারণগত সমস্যা। সে কারণে ডিকো ‘বিলে’কে ‘পেলে’ বলে চেঁচিয়ে উঠতেন। তার বন্ধুরা এই ঘটনাকে উপজীব্য করে ডিকোকে ‘পেলে’ নামে ডাকতে শুরু করে। পর্তুগীজ ভাষায় ‘পেলে’ নামের কোনো অর্থ হয় না। তবে হিব্রু ভাষায় ‘পেলে’ অর্থ হলো অসাধারণ কিংবা অতুলনীয়। ডিকো তার এ নতুন নাম পছন্দ করতো না। কিন্তু নিয়তি তার কপালে লিখে রেখেছে ‘পেলে’ নামের খ্যাতি। শেষমেষ তার এ নামের পথ ধরে জিকোকে ডাকা হতো সাদা পেলে নামে। মাঝে কিছুদিন ম্যারাদোনাকেও সাদা পেলে বলে ডাকা হতো। ছিয়াশির বিশ্বকাপে ম্যারাদোনার অতিমানবীয় ক্রীড়াশৈলীর কারণে তাকে পেলের সাথে তুলনা করা শুরু হলো। অনেকেই তাকে পেলের চেয়েও গ্রেট খেলোয়াড় হিসেবে প্রমাণ করতে চাইলো। এতে সমর্থকদের আবেগের কারণে দু মহান খেলোয়াড়কে নিয়ে অনেকটাই জল ঘোলা করা হলো। ছিয়াশির বিশ্বকাপে ম্যারাদোনার অতি নৈপুণ্যে কাপ ঘরে গেলেও খেলোয়াড় হিসেবে তার অনেক সীমাবদ্ধতা ছিলো। ম্যারাদোনা মূলত বাম পায়ের খেলোয়াড় ছিলেন। তার ডান পা ফুটবলশৈলীতে দুর্বল ছিলো। উচ্চতায় খাটো হওয়ার কারণে তার মধ্যে হেডের দক্ষতা তৈরি হয়নি। তাছাড়া ম্যারাদোনা ছিলেন গুল্লুমুল্লু দেহাবয়বের, যা কোনো প্রমিতমানের ফুটবলারের কাঠামো ছিলো না। কিন্তু ঐশ্বরিক দানের কারণে ম্যারাদোনা ছিয়াশিতে বিশ্ব জয় করে নিলেন। বেশ ক’টি খেলোয়াড়ি সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও ম্যারাদোনা তার কোচের সমর্থন পেয়েছিলেন। কোচ তার ক্রীড়াশৈলীকে পরিবর্তন করেননি। কিন্তু পেলে যখন অতি অল্প বয়সে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দলে সুযোগ পেলেন তখন তার কোচ তাকে বার বার ডেকে বলতেন, তার পাড়ার ফুটবলের খেলোয়াড়ি কৌশল যাতে বদলে ফেলে। অথচ ওটাই ছিলো পেলের মূল শিল্প। কোচের এ অসহযোগিতার কারণে পেলে প্রথমদিকে তার প্রতিভা ও দক্ষতা অনুযায়ী মাঠে ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন করতে পারেননি। তারপরও পেলে বিশ্ব জয় করেছেন। ওইসময়ে যদি কোচ তাকে একটু সহায়তা করতেন তাহলে হয়তো পেলে আরও অধিক নিজেকে মেলে ধরতে পারতেন। যারা পেলের খেলা দেখেছেন তাদের অনেকেরই অভিমত, পেলে অনেক বেশি রাফ ট্যাকলিংয়ের শিকার হয়েছিলেন। কেননা ওই সময় রেফারির পক্ষে প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ ছিলো না। ক্রীড়া প্রযুক্তি তখন আবিষ্কৃত হয়নি। পক্ষান্তরে ম্যারাদোনার সময়কালে প্রযুক্তির সহায়তা ছিলো এবং বিশ্বকাপের একটা অলিখিত নিয়ম ছিলো শিল্পী খেলোয়াড়দের সুরক্ষা দেওয়ার। ম্যারাদোনা সেই সুবিধা পেয়েছিলেন। পেলেকে ব্রাজিলের লীগের বাইরে ইউরোপিয়ান কোনো লিগে তখন খেলতে দেওয়া হয়নি। ফলে পেলের প্রতিভা অধিকতর বিকশিত হওয়া কিংবা প্রচারিত হওয়ার সুযোগ মেলেনি। কিন্তু পক্ষান্তরে ম্যারাদোনা ইতালির ‘সিরি এ’ লিগে খেলে দারুণ প্রচারণা পেয়েছিলেন এবং বিকশিত হওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। পেলের তুলনায় ম্যারাদোনার ব্যক্তিজীবন অনেক বেশি উচ্ছৃঙ্খল হয়ে গিয়েছিলো এবং খ্যাতির গরম সইতে না পেরে তিনি চরমভাবে মাদকাসক্ত হয়ে উঠেছিলেন। তার ওজনও একসময় উৎকটভাবে বেড়ে গিয়েছিলো। নিরপেক্ষভাবে বলতে গেলে ম্যারাদোনা খেলোয়াড় হিসেবে কিছুটা অসততা চর্চার সুযোগ নিতেন। এটাও সত্য যে, প্রতিপক্ষের ফাউলের ঘায়ে ম্যারাদোনাও একসময় কাহিল হয়ে পড়েছিলেন। ম্যারাদোনার ব্যক্তিজীবনের উচ্ছৃঙ্খলতা ক্রীড়াপ্রেমীদের তার খেলোয়াড়ি জাদু হতে বঞ্চিত করেছে বলা যায়।

ঊনিশশো নব্বই সালে আবারও ম্যারাদোনা-বিলার্দো দল নিয়ে আসলেও ছিয়াশির অনেকেই তাতে ইনজুরির কারণে ছিলো না। ফলে কার্যত আর্জেন্টিনা ছিলো খোঁড়া ঘোড়া। এর ফলও পাওয়া গেছে তাদের উদ্বোধনী ম্যাচে ওমাম বিয়িকের গোলে রজার মিলার দেশ ক্যামেরুনের কাছে হার মেনে। খোঁড়াতে খোঁড়াতে গ্রুপ পর্বে তৃতীয় হয়ে তারা পরের রাউন্ডে উঠে যায়। শেষ ষোলোর খেলায় সামনে আসে তখনকার হট ফেভারিট ব্রাজিল যার আক্রমণভাগে ছিলেন কারেকার মতো প্রতিভাবান খেলোয়াড়। ইতালিতে অনুষ্ঠিত হওয়া এ বিশ্বকাপে লেফট ব্যাক ব্রাংকোর কারণে ম্যারাদোনা ছিলেন কড়া মার্কিংয়ে। ফলে খুব বেশি সুবিধা করতে পারছিলেন না। কিন্তু একসময় আর্জেন্টাইন এক খেলোয়াড় আহত হলে খেলা কিছুটা বিরতি পায়। এসময় ব্রাংকো আর্জেন্টিনার ফিজিও হতে পানির বোতল নিয়ে পানির পিপাসা মেটায়। কিন্তু যখন খেলা শুরু হয় পুনরায়, তখন ব্রাংকো আর আগের সক্ষমতা ধরে রাখতে পারেনি। ফলে ম্যারাদোনা তাকে ফাঁকি দিয়ে অরক্ষিত ক্যানিজয়াকে বল ঠেলে দিলে তা থেকে আর্জেন্টিনা জয়সূচক গোল পায়। এ ঘটনার পনের বছর পর ম্যারাদোনা স্বীকার করেন, ব্রাংকোকে তাদের ফিজিও ঘুমের ঔষধ মেশানো পানি পান করতে দেয়। ফলে ব্রাংকো ক্লান্ত হয়ে পড়ে। ফুটবলের ইতিহাসে এ ঘটনাকে হোলি ওয়াটার কেলেঙ্কারি বলে।

নব্বই বিশ্বকাপের ফাইনালে লোথার ম্যাথিয়াসের পশ্চিম জার্মানির কাছে এক-শূন্য গোলে হেরে যায় ম্যারাদোনার আর্জেন্টিনা। পেনাল্টি পেয়ে আন্দ্রে ব্রেহমা গোল করে দলকে স্বস্তি দেন। লোথার ম্যাথিয়াস এ বিশ্বকাপে ছিলেন জার্মানির মাঝ মাঠের ফুসফুস। ইয়ুর্গেন ক্লিন্সম্যান ছিলেন এ বিশ্বকাপের এক উল্লেখযোগ্য আবিষ্কার। জার্মান কোচ ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ারই প্রথম ব্যক্তি যিনি কোচ ও অধিনায়ক হিসেবে ঊনিশশো নব্বই ও ঊনিশশো চুয়াত্তরে বিশ্বকাপ অর্জন করেন। এরপরে অবশ্য ফ্রান্সের হয়ে দিদিয়ের দেশম ঊনিশশো আটানব্বই ও দুহাজার আঠারো সালে এ কীর্তিতে শরিক হন।

ঊনিশশো চুরানব্বইয়ের বিশ্বকাপকে বলা যায় রোমারিও-বেবেতোর বিশ্বকাপ। কোচ আলবার্তো পেরেইরার অধীনে দলটি নান্দনিক ফুটবল উপহার দিয়ে রবার্তো ব্যাজিওর ইতালিকে টাইব্রেকারে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়। এ বিশ্বকাপ যেমন রোমারিওর তেমনি বেবেতোর গোল উদযাপনের অনন্য ভঙ্গিরও। সদ্যজাত আত্মজকে দোলনায় দোলানোর ভঙ্গিতে গোলের আনন্দ উদযাপনের উৎসব মনে করিয়ে দেয়, বেবেতো সদ্য পিতা হয়েছেন। চুরানব্বইয়ের একিলিস যদি হয় রোমারিও তবে হেক্টর নিশ্চয়ই পাপারাজ্জিদের পনি টেইলধারী রবার্তো ব্যাজিও। শান্ত ও সুদর্শন কিন্তু শৈল্পিক ফুটবলের নান্দনিক জাদুকর ব্যাজিও যদি টাইব্রেকারে নিজের শট মিস না করতেন তবে কাপ হয়তো শোভা পেতো তার হাতেই। রোমারিওর প্রতি তীব্র সমর্থন থাকলেও ব্যাজিওকে চোখের আড়াল করা সম্ভব ছিলো না।

লা ব্লুজদের কারণে ঊনিশশো আটানব্বইয়ের বিশ্বকাপ স্মরণীয় হয়ে থাকলেও ফাইনালে রোনালদো নাজারিওর ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হওয়াটা বিস্ময় তৈরি করে বৈকি। চুরানব্বইতে সাব হয়ে থাকা সদ্য কৈশোরোত্তীর্ণ তরুণ আটানব্বইয়ে এসে পাদপ্রদীপের সবটুকু আলো কেড়ে নেয়। তার ডান হাতের তর্জনী উঁচিয়ে গোল উদযাপন আর সামনের উপরের পাটির কর্তন দন্তদ্বয়ের মধ্যে কিঞ্চিৎ ফাঁক রোনালদোকে বিশেষায়িত করে তোলে। সেবারই প্রমাণিত হয় বল পায়ে রোনালদো ভয়ঙ্কর ও অব্যর্থ জালভেদী। গোল্ডেন বল জিতে সেরা খেলোয়াড়ের তকমা পেলেও খেলা যতো সামনে গড়িয়ে যাচ্ছিলো, পাদপ্রদীপের আলো কেড়ে নিচ্ছিলো ক্রমশ আরেকজন। তার জন্ম আলজেরিয়ায় কিন্তু সে ছিলো ফ্রান্সের ত্রাণকর্তা। তার ধর্মীয় পরিচয় বাংলাদেশের সমর্থকদের কাছে মুখ্য হয়ে দাঁড়ালেও ক্রমে ক্রমে তার খেলোয়াড়ি দক্ষতায় সে হয়ে ওঠে সবার নয়ন মণি জিদান। অনেকেই সেবার তার বীরত্বে মুগ্ধ হয়ে সদ্যজাত সন্তানের নামও রাখতে শুরু করে জিদান হিসেবে। জিদানের ক্রীড়াশৈলীতে সেবার লা ব্লুজরাই প্রথমবারের মতো কাপ ঘরে তোলে।

দুহাজার দুই সালের বিশ্বকাপের আসর বসে সূর্যোদয়ের দেশ জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ায় যৌথভাবে। এবার আর রোনালদোদের কোনো ভুল হয়নি। ভয়ঙ্কর সুন্দরের প্রতীক তিন ‘আর’-এর সাথে নির্ভরতার ‘দুই কে’-এর সমন্বয় কাপকে আর ব্রাজিলের হাতছাড়া হতে দেয়নি। রোনালদো, রিভালদো আর রোনালদিনহোকে নিয়ে গড়া আক্রমণভাগ সামাল দেওয়া কারও পক্ষে সাধ্য ছিলো না। তার সাথে কাফু আর (রবার্তো) কার্লোস মাঠে প্রতিপক্ষকে উড়িয়ে দেওয়ার জন্যে যথেষ্ট ছিলো। জার্মানিকে ফাইনালে দুই গোলে পরাজিত করা যেন ছেলেখেলা ছিলো তাদের জন্যে। তবে বার্লিনের প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়েছিলো গোলরক্ষক অলিভার কান। তাই সোনার গ্লাভসও তার হাতে উঠে নন্দিত হয়। অন্যদিকে রোনালদো আট গোল দিয়ে সোনার বুট নিয়ে যায়। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো গ্রুপ পর্ব থেকেই সেবার আর্জেন্টিনা ও ফ্রান্স বাদ পড়ে যায় এবং তুরস্ক হয়ে যায় তৃতীয়।

দুহাজার ছয়ের বিশ্বকাপে ইতালি হয়ে ওঠে বিশ্বজয়ী। অল ইউরোপ ফাইনালে জার্মানির মাটিতে ফ্রান্সকে হারায় ইতালি। তবে গোল্ডেন বুট এবার জিদানের ঝুলিতে যায় আর জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসা পায় গোল্ডেন বল। ইতালির কোনো ব্যক্তিবিশেষ সেবার অবদান রাখেনি। অবদান রেখেছে পুরো টিম। গোলকিপার বুফন, অধিনায়ক ফ্যাবিও ক্যানাভারো ছিলেন দায়িত্বশীল।

দুহাজার দশের বিশ্বকাপ ফুটবল বেশ কয়েকটা কারণে স্মরণীয় হয়ে আছে। প্রথমবারের মতো আসর অনুষ্ঠিত হয় দক্ষিণ আফ্রিকায় আর বলের নাম ছিলো জাবুলানি। টুর্নামেন্টের মাস্কট ছিলো জাকুমি, যা আদতে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাণবন্ত এক চিতাবাঘের আদল। খেলোয়াড়দের পেছনে ফেলে এই টুর্নামেন্টের সব আলো কেড়ে নেয় শাকিরা তার ‘ওয়াকা ওয়াকা হে হে’ গান গেয়ে। অসাধারণ জনপ্রিয়তা পেয়েছে সে গানটি এবং তা আজও প্রাণবন্ত। এর পাশাপাশি আরেক জ্বালা তৈরি হয় ‘ভুভুজেলা’ নামের বিকট আওয়াজ সৃষ্টিকারী প্লাস্টিকের বাঁশির জন্যে। এ টুর্নামেন্টকে সফল করতে ম্যান্ডেলা বা মাদিবা নিজেই অ্যাম্বাসেডরের ভূমিকা পালন করেন। প্রথমবারের মতো স্পেন শিরোপা পায় টিউলিপ ও উয়িন্ড মিলের দেশ নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে। উরুগুয়ের দিয়েগো ফোরলান সেরা খেলোয়াড় আর জার্মানির থমাস মুলার সেরা গোলদাতা হন। বিশ্বকাপ জয় করে ঘরে ফিরে স্পেন দল হুডখোলা বাসে প্রদক্ষিণ করে রাজধানী। পুরো শহরজুড়ে লাল জার্সিতে যেন লাল লঙ্কার ঝড় তৈরি হয়। (চলবে)

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়