মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য

প্রকাশ : ১৬ জুন ২০২৬, ০৯:০৯

যখন ১৭ জুন আসে

মুহাম্মদ আরিফ বিল্লাহ
যখন ১৭ জুন আসে

ক্যালেন্ডারের পাতা ঘুরে প্রতি বছর ১৭ জুন দরজায় কড়া নাড়ে। এটি একটি তারিখ মাত্র। অথচ এর সাথে জড়িয়ে আছে ব্যক্ত অব্যক্ত নানান কথা। যার রয়েছে হাজারো সুখ স্মৃতি। আবার বেদনার স্মৃতিও কম নয়। হয়তোবা সব কথা আমার জানা নেই। কারণ, আমি জেলার এক প্রান্তে থাকা একজন সামান্য সংবাদকর্মী।

পত্রিকাটি সাপ্তাহিক থেকে জেলার প্রথম দৈনিক। সাপ্তাহিক (১৯৯৪-৯৮) ও দৈনিক (১৯৯৮-২০২৬) মিলিয়ে বত্রিশ পেরিয়ে তেত্রিশের টগবগে যৌবনে পদার্পণের অপেক্ষায় প্রিয় পত্রিকাটি। এভাবে সাদামাটা আয়োজনে প্রতি বছর ১৭ জুন উদযাপন করা হয় চাঁদপুর কণ্ঠের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী হিসেবে।জেলার মানুষের সুখে-দুঃখে আনন্দ-বেদনার সাথী হয়ে আজ পাঠকের মনের গভীরে জায়গা করে নেয়া খবরের কাগজের নাম দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠ।

পত্রিকাটি জেলার লিডিং সারিতে থাকার অন্যতম কারণ হলো এর সৃষ্টিশীলতা। মেধায়, মননে, মেকাপ-সেটাপে বিষয়ভিত্তিক বিভিন্ন পাতা প্রকাশ করে সৃষ্টি করেছে লেখক এবং পাঠক। এছাড়া জেলার অধিকাংশ দৈনিক ও সাপ্তাহিক পত্রিকার সম্পাদকীয় পদগুলোতে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন এক সময় চাঁদপুর কণ্ঠে কাজ করা সাহসী সাংবাদিকবৃন্দ। জেলার গণ্ডি পেরিয়ে রাজধানী ঢাকায় জাতীয় দৈনিক পত্রিকায়ও কাজ করছেন এখানে কাজ করা এক সময়ের সহকর্মীরা। এ এক অন্যরকম ভালো লাগা।

পত্রিকার বয়স বাড়ে, সেই সাথে বয়স বাড়ে আমারও। কিন্তু এর মধ্যেও যখন সহকর্মীরা কোনো আয়োজনে একত্র হই, তখন ঘনিষ্ঠজনদের সাথে নস্টালজিক হয়ে যাই। একটি পত্রিকা আমাদের বয়স ফ্রেমের বাইরে নিয়ে যান্ত্রিক জীবনের মোহজাল ভেঙ্গে স্বস্তির পরিবেশ তৈরি করে। এভাবেই দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠ আপামর জনতার ন্যায় আমাদের আত্মীয়। পরিশেষে আমার কবিতার দুটো লাইন দিয়ে এই লেখার যবনিকা টানতে চাই--

যখন ১৭ জুন আসে

সৃষ্টি সুখের উল্লাসে যেন চাঁদপুরবাসী হাসে।

ডাকাতিয়ার পাড়ে

চাঁদ সুরুজের লুকোচুরি লেখক-পাঠক ভাসে।

-মুহাম্মদ আরিফ বিল্লাহ : সভাপতি, নারায়ণপুর প্রেসক্লাব।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়