প্রকাশ : ১৬ জুন ২০২৬, ১১:০৩
এক যুবকের ভিন্ন এক জানাজা

মোজাম্মেল হক বাবু। বয়স ৩২। ২ সন্তানের জনক। জীবিকার তাগিদে কাজ করতে গিয়ে এসি বিস্ফোরণে পরপারে পাড়ি জমান। তাঁর মৃত্যুর খবরটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। হাজার হাজার পোস্ট ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। জানাজাতে জমায়েত হয় কয়েক হাজার মুসল্লি। সচরাচর কোনো জামাজার নামাজে এতো মুসল্লির উপস্থিত চোখে পড়ে না। বাবু হাজীগঞ্জের বাকিলা ইউনিয়নের মহেশপুর হাজী বাড়ির সাদেক মিলিটারীর ছোট সন্তান।
মঙ্গলবার (১৬ জুন ২০২৬) সকাল স্থানীয় বাকিলা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত বাবুর জানাজার নামাজ পড়ান মরহুমের চাচাতো ভাই মনিহার দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা নাজির আহমেদ। জানাজার পূর্বে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বক্তব্য রাখেন বাকিলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিলন, সাবেক চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান ইউসুফ পাটোয়ারী, চাঁদপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাড. জহিরুল ইসলাম, ব্যবসায়ী বিল্লাল হোসেন মজুমদার প্রমুখ।
জানাজাতে উপস্থিত ছিলেন ৫ নং রামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আল মামুন পাটোয়ারী, হাজীগঞ্জের ৫ নং সদর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সফিকুর রহমান মীরসহ হাজীগঞ্জ ও বাকিলা এলাকাসহ তৎসংলগ্ন এলাকার সর্বদলের রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, সুধীসমাজ। দু দফা জানাজাশেষে মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় তাকে পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয়।
উল্লেখ্য. গত সোমবার (১৫ জুন ২০২৬) সকাল ৮ টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না....রাজেউন)। বাবু ইউনিয়ন যুবলীগের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক পদে ছিলেন। এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাজধানীতে নিজের কর্মস্থলে এসি ( এয়ারকন্ডিশন)-এর কাজ করতে গেলে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে তার দু হাত, বুক ও মুখসহ শরীর মারাত্মকভাবে ঝলসে যায়। তারপর থেকে তিনি জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউ'তে চিকিৎসাধীন ছিলেন।








