প্রকাশ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৯:৩৫
নদীতে ডুবে যাওয়া এতিমখানার ইমামের মাগফেরাত কামনায় ছাত্রদের ১৯ খতম কোরআন

চাঁদপুর পৌরসভার উত্তর গুণরাজদীতে ১২নং ওয়ার্ডে আল-আমিন এতিমখানা কমপ্লেক্সের তত্ত্বাবধায়ক ও মসজিদের ইমাম মুফতি মো. শামসুদ্দিনের মাগফেরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
|আরো খবর
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল ২০২৬) বাদ জোহর মরহুমের নিজ বাড়ি শাহরাস্তি উপজেলার টামটা ইউনিয়নের আলীপুর গ্রামের দক্ষিণপাড়া মজুমদার বাড়িতে মিলাদ ও দোয়ার আয়োজন করা হয়। এতে মরহুমের বিভিন্ন ছাত্র তাঁর মাগফেরাত কামনায় ১৯ খতম কোরআন বকশিয়া দেন এবং তাঁর কবর জিয়ারত করেন। অনুষ্ঠানে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন আল-আমিন মাদরাসার সুপার মাওলানা আজম বেলাল হোসাইন। উপস্থিত ছিলেন আল-আমিন এতিমখানা কমপ্লেক্সের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মো. আবদুর রহমান গাজী, সমাজসেবক মো. আমিনুল হক বেপারী, আনোয়ারা মতিউর মডেল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মো. ইসমাইল হোসেন, হাফেজ মো. জসিম উদ্দিন এবং আল-আমিন একাডেমি স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক মো. ইসমাইল হোসেন, মরহুমের বড়ো ভাই মো. গিয়াস উদ্দিনসহ এলাকার বিভিন্ন মসজিদের ইমাম ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
উল্লেখ্য, মুফতি মো. শামসুদ্দিন ঢাকা কাদেরিয়া তৈয়্যবিয়াহ থেকে কামিল (হাদিস) এবং ফরিদগঞ্জ মজিদিয়া কামিল মাদরাসা থেকে ফিকাহ শাস্ত্রে ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ২০২৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারি আল-আমিন এতিমখানা কমপ্লেক্সে যোগদান করেন এবং তার পাশাপাশি আনোয়ারা মতিউর মডেল মাদ্রাসায় শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। ২৫ এপ্রিল আল-আমিন এতিমখানা কমপ্লেক্সের পাশে ডাকাতিয়া নদীতে গোসল করতে গিয়ে নিখোঁজ হন। পরের দিন দুপুর একটায় তার লাশ ভেসে উঠলে তাঁকে শনাক্ত করেন পরিবারের লোকেরা। তারপর নিজ বাড়িতে তাঁর বাবার পাশেই তাঁকে দাফন করা হয়। তিনি মৃত্যুকালে মা ও ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী রেখে গেছেন। এছাড়া তারা ছিলেন ৫ বোন ও ৪ ভাই। ভাইদের মধ্যে তিনি ছিলেন দ্বিতীয়।








