প্রকাশ : ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১৪:১০
প্রয়োজন সমাজের সহৃদয়বান ব্যক্তিদের সহযোগিতা
সড়ক দুর্ঘটনায় থমকে গেছে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী মেঘলার স্বপ্ন

মেধা ও চঞ্চলতায় পুরো বাড়ি মাতিয়ে রাখতো ১০ বছরের শিশু মেঘলা আক্তার রাইছা। কিন্তু একটি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা ছোট্ট এই শিশুটির জীবনকে ঠেলে দিয়েছে পঙ্গুত্বের মুখে। খেলার মাঠ কিংবা স্কুলের আঙিনার পরিবর্তে তার এখন নিত্যদিনের ঠিকানা ঘরের বিছানা। দরিদ্র পরিবারটির পক্ষে চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করা সম্ভব হচ্ছে না। বাবা প্রবাসে থাকলেও পরিবারটির আর্থিক অবস্থা করুণ। মেঘলাকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে সঠিক ও উন্নত চিকিৎসা জরুরি। এজন্য সরকারি সংস্থা ও সমাজের বিত্তবানদের কাছে সহযোগিতার আকুতি জানিয়েছে শিশুটির পরিবার।
|আরো খবর
জানা গেছে, ফরিদগঞ্জ উপজেলার চরদুঃখিয়া পূর্ব ইউনিয়নের পূর্ব একলাশপুর গ্রামের প্রবাস ফেরত মিরণ ও রুনা আক্তার দম্পতির চার মেয়ের মধ্যে মেঘলা আক্তার রাইছা দ্বিতীয়। সে স্থানীয় পূর্ব একলাশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী।
গত ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে বাড়ির অদূরে গুপ্তেরবিলের রাস্তায় দ্রুতগামী একটি মোটরসাইকেল তাকে ধাক্কা দিলে তার ডান পা ভেঙে যায়। দুর্ঘটনার পর স্বজনরা দ্রুত তাকে ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। বর্তমানে সে অর্থোপেডিক সার্জন ডা. আহমেদ হোসাইন ছিদ্দিকী টিটুর তত্ত্বাবধানে বাড়িতেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।
মেঘলার মা রুনা আক্তার অশ্রুসজল চোখে বলেন, "আমার ফুটফুটে মেয়েটি আজ বিছানায় শয্যাশায়ী। যেই মেয়েটি সারা ঘর মাতিয়ে রাখতো, সে কবে আবার নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে স্কুলে যেতে পারবে—এ চিন্তায় আমাদের দিন কাটছে।"
স্থানীয় বাসিন্দা শরীফ হোসেন জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় আহত রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতে বিআরটিএ-সহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের সহায়তার সুযোগ রয়েছে। সরকারি অনুদানের পাশাপাশি বিত্তবানরা এগিয়ে এলে শিশু মেঘলা আবারও সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবে।








