প্রকাশ : ২৫ মার্চ ২০২৬, ১৩:৪০
ফরিদগঞ্জে কবরস্থানে গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

ফরিদগঞ্জে পারিবারিক কবরস্থানের গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে মারামারির ঘটনায় হামলার শিকার আলী হায়দার (৬২) নামে এক বৃদ্ধের চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। উপজেলার গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নের গুপ্টি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। মৃত আলী হায়দার ওই গ্রামের জমাদ্দার বাড়ির মৃত সিরাজুল হকের ছেলে। এ ঘটনায় প্রতিপক্ষ হাজেরা বেগম নামে এক গৃহবধূকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃত গৃহবধূ একই বাড়ির কলিম উদ্দিনের স্ত্রী।
|আরো খবর
মৃতের পরিবারের বরাত দিয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য শহীদউল্যাহ গাজী জানান, গত সোমবার (২৩ মার্চ ২০২৬) সকালে আলী হায়দার গংয়ের সাথে একই বাড়ির কলিম উদ্দিন ও ফয়েজ আহাম্মদ গংয়ের সাথে একই বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানের সম্পত্তিতে থাকা গাছগাছালি কাটা নিয়ে মারামারির সৃষ্টি হয়। এ সময় কলিম উদ্দিন গং শিকার আলী হায়দারকে বাঁশের লাঠি দিয়ে আঘাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে। পরে ঘটনাস্থল থেকে তাকে আহতাবস্থায় উদ্ধার করে পার্শ্ববর্তী হাজীগঞ্জ বাজারের একটি বেসরকারি চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে দ্রুত ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দেন। পরে রাতের দিকে অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় নেয়ার পথে মঙ্গলবার (২৪ মার্চ ২০২৬) রাতে মারা যান আলী হায়দার।
প্রত্যক্ষদর্শী লুৎফুর রহমান জানান, কবরস্থানের গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে এ বিরোধের সৃষ্টি হয়। আলী হায়দার প্রতিবাদ করায় তাকে মারধর করা হয়। বাধা দিতে গিয়ে আমি নিজেও আঘাতপ্রাপ্ত হই। নিহত আলী হায়দার মৃত ছেরাজল হকের ছেলে। তিনি দু সন্তানের জনক। তার ছেলে সৌদি আরবে প্রবাসী।
নিহতের পুত্রবধূ আছমা বেগম অভিযোগ করে বলেন, আমার শ্বশুরকে ৬-৭ জন মিলে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করেছে। আমরা এর সঠিক বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
ফরিদগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) মোহাম্মদ এমদাদুল হক জানান, গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে মারধরের ঘটনায় এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। হাজেরা বেগম নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে বুধবার (২৫মার্চ ২০২৬) চাঁদপুর আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।








